শ্রীপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে থানায় লিখিত অভিযোগের স্বীকার ভুক্তভোগীর অবশেষে সংবাদ সম্মেলন
বিশেষ প্রতিনিধি,আল আমীন গাজীপুর:
শ্রীপুরে পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে টাকা লুটপাট ও ভাংচুরের অভিযোগের স্বীকার এক ভুক্তভোগী। পরে ভুক্তভোগী নিজ বাড়িতে থানায় লিখিত অভিযোগের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন।
শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী ও তার বড় বোন সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আহাদ মিয়া বলেন, "চকপাড়া গ্রামের (ছয়শতপাড়া) এলাকার অছিমুদ্দিনের ছেলে সবুজ মিয়া আমার নিকট থেকে বিভিন্ন সময় ব্যবসার কথা বলে প্রায় ২৭ লাখ টাকা ধার নেয়।মূলত সবুজ মিয়া ও আমি দুইজন সম্পর্কে ভায়রা ভাই।
দীর্ঘদিন যাবত টাকা দেই-দিচ্ছি করে না দিলে আমি গত ২৪শে জুন ২০২৬ইং তারিখে শ্রীপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।অভিযোগের ভিত্তিতে চকপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়ে বসে একটি সিধান্ত হয় প্রতিমাসের ২৬ তারিখে ৬০ হাজার টাকা করে সবুজ আমাকে প্রদান করবে। কিন্তু গত দুই মাসে একটি টাকাও দেয়নি সবুজ মিয়া।
তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ২৬ জুলাই রোববার আমার স্ত্রী নার্গিস আক্তার ও তার বড় বোন টাকা আনতে তাদের বাড়িতে যায়। পরে রাত ৮ বাজলেও তাঁরা বাড়ি না আসলে আমি তাদের আনতে যাই। তখন আমার সঙ্গে আমার স্ত্রীর বড় বোনের ছেলে ছিলো। আমি সবুজ মিয়ার বাড়িতে কোন ধরণের ভাংচুর এবং লুটপাট করিনি। এটা তাদের সাজানো নাটক,আমার টাকা মেরে দেয়ার জন্যে।"
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আহাদের স্ত্রী নার্গিস আক্তার বলেন, "আমি একজন গর্ভবতী নারী।আমি এবং আমার স্বামী বিভিন্ন সমিতি ও মানুষের কাছ থেকে প্রায় ২৭ লাখ টাকা আমার বড় বোন এবং বোন জামাই সবুজ মিয়াকে ব্যবসার জন্যে ধার দেই।
কিন্তু তারা টাকা নেয়ার পর থেকেই তালবাহানা শুরু শুরু করে। টাকা দেই-দিচ্ছি করছে।তাই আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।পরে ফাঁড়িতে বসে একটি সমঝোতা হয় তারা আমাদের মাসে ৬০ হাজার করে টাকা দেবে।সেই টাকা আনতে গতকাল আমি এবং আমার বড় বোন সবুজ দুলাভাইদের বাড়িতে যাই।পরে আমাদের আসতে দেরি দেখে আমার স্বামী ও ভাগিনা আমাদের আনতে যায়। আমার স্বামী আমাকে গালিগালাজ করে চলে আসে।সেখানে কোন ভাংচুর ও লুটপাট হয়নি।আমার বোন জামাতা এবং বোন মিথ্যে কথা বলতেছে।যাতে তারা আমাদের টাকা আত্মসাৎ করতে পারে।"
সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সময় উপস্থিত সোহেল নামে একজন বলেন, "আমি আহাদ এবং নার্গিস আক্তারের বড় বোনের ছেলে। গতকাল ঘটনার সময় আমি আহাদ খালুর সাথে ছিলাম।আমরা যাদের বাড়িতে গিয়েছিলাম সেটাও আমার খালার বাড়ি।তবে আমি আহাদ খালুরে কোন ভাংচুর ও লুটপাট করতে দেখিনি।"
সংবাদ সম্মেলনে আহাদ মিয়া আরও বলেন, "আমি যদি বুজতে পারতাম আমার বউ আনতে গিয়ে ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগে অভিযুক্ত হতে হবে তাহলে আমি আমার ভায়রা সবুজ মিয়ার বাড়িত যেতাম না।
এ জাতীয় আরো খবর..