মুরহুম আবদুল গফুর পাটোয়ারীর সুযোগ্য বীর কন্যা মরিয়ম সুলতানা শিখা পৌরবাসীর সেবিকা হতে চান
চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি, কুমিল্লা:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দিশকরা গ্রামের ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান মুরহুম আবদুল গফুর পাটোয়ারীর সুযোগ্য কন্যা মরিয়ম সুলতানা শিখা চৌদ্দগ্রাম পৌরবাসীর সেবিকা হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
১৯৭৭ সালে মরহুম আবদুল গফুর পাটোয়ারী ও রেহানা আক্তারের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন মরিয়ম সুলতানা শিখা।জ ছাত্রজীবন থেকেই তিনি ছিলেন চঞ্চল ও মেধাবী। ১৯৯২ সালে এসএসসি এবং ১৯৯৫ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন তিনি।
ব্যক্তিজীবনে মরিয়ম শিখা এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী। তার স্বামী আবদুল হক পিপিএম সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা।
তার একমাত্র ছেলে লেখাপড়া শেষ করে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং একমাত্র মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।
মরিয়ম সুলতানা শিখার পিতা মরহুম আবদুল গফুর পাটোয়ারী সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি চৌদ্দগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
পিতার আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মরিয়ম শিখাও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হন।বর্তমানে তিনি চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা জাতীয়তাবাদী (বিএনপি) মহিলা দলের সভানেত্রী।
মরিয়ম সুলতানা শিখা বলেন, ব্যক্তিজীবনে আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই, এখন শুধু সুযোগ পেলে পৌরবাসীকে দিতে চাই ।
চৌদ্দগ্রাম পৌরবাসী চাইলে তিনি বাবার আদর্শকে ধারণ করে তাদের পাশে থেকে সেবা করে যেতে চান।
তিনি আরও জানান, পৌরবাসীর সেবিকা হিসেবে কাজ করার সুযোগ পেলে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং মাদকমুক্ত চৌদ্দগ্রাম পৌরসভা গড়ে তুলতে কাজ করবেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিজ্ঞতা, পারিবারিক ঐতিহ্য ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে মরিয়ম শিখা ভবিষ্যতে চৌদ্দগ্রাম পৌরবাসীর কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
এ জাতীয় আরো খবর..