নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরার পুরাতন সাতক্ষীরা মহিলা মাদ্রাসার পূর্ব পাশে পানিতে উন্মুক্ত অবস্থায় বৈদ্যুতিক তার ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদ করায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দলবল নিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতা ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন নাসরিন, ফারুক, রবিউল, কামরুল, কাসেম ও রশিদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় পানিতে বিপজ্জনকভাবে বৈদ্যুতিক তার ফেলে রাখা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসী অভিযুক্তদের বারবার সতর্ক করলেও তারা তা আমলে নেয়নি এবং কোনো সমাধান করেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর অভিযোগ করে বলেন, “পানিতে এভাবে বৈদ্যুতিক তার ফেলে রাখায় আমার শিশুসন্তানসহ এলাকার যেকোনো মানুষ যেকোনো মুহূর্তে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে।” তিনি জানান, বিষয়টি অভিযুক্ত নাসরিনকে জানালে তিনি পানিতে তার পেতে রাখার কথা স্বীকার করেন। তবে এর প্রতিকার না করে উল্টো মিজানুর ও মগরবসহ স্থানীয় গ্রামবাসীকে দলবল নিয়ে হত্যা এবং বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধনের হুমকি দেওয়া হয়।
দিনের পর দিন এমন ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় থাকায় এবং প্রভাবশালী মহলের পক্ষ থেকে হুমকি আসায় এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অবিলম্বে এই ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক তার অপসারণ এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
দৈনিক আগামীর বাংলা