রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ:
১৮ ই অক্টোবর রবিবার, চোরবাগানে ছাত্রই অক্টোবর ঠিক সন্ধ্যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় যাহারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাহাদের কে পুলিশ মর্গ থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী উপস্থিতিতে দেহ হস্তান্তর করা হলো, একে একে শবদাহ গাড়ি মৃতদের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
কালকের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২৫ জনেরও বেশি বিভিন্ন হসপিটালে চিকিৎসাধীন, আহতদের পরিবারেরা হসপিটালে ছোটা দেওরা করছেন তাদের আত্মীয়কে দেখার জন্য। আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিভিন্ন হসপিটালে যান আহতদের দেখতে।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী , মৃতদের আহতদের আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করলেও এলাকা বাসীর মনে একটা খোব দেখা যায়, তাহারা বলেন এই আনন্দের দিনে, তাহারা তাদের আপনজনদের হারিয়েছে তাহারা কি ফিরে আসবে, তাদের তো কোল খালি হলো, কেউ হারিয়েছেন তার ছেলেকে কেউবা হারিয়েছেন তার মেয়েকে, আবার কেউ হারিয়েছে বাড়ির মানুষকে,
বিভিন্ন এলাকায় মৃতদেহ পৌঁছানো সাথে সাথে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং বাড়ির আত্মীয়-স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। কালকে দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথে প্রতিটি বাড়ির আত্মীয়-স্বজনরা ছোটা দৌড়া করতে থাকেন, কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না কিভাবে ঘটল এই দুর্ঘটনা, বলছেন বৃষ্টির জন্য, কারো কাছে শোনা যায় প্যান্ডেলের ভেতর থেকে চেঁচাতে থাকে প্যান্ডেল ভেঙে যাচ্ছে বলে। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আনন্দ ধুলিস্যাৎ করে দিল।
সপ্তমীর ভয়াবহ রাতে যে 19 জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, তাহাদের মধ্যে ছিলেন, আরতি সরকার বিশ্বাস বয়স ৪৫, শ্রীপর্ণা পোদ্দার বয়স ২৬, মিঠু মন্ডল বয়স ৪৫, বর্ণালী হালদার বয়স ১৭, আকৃতি কুমারী বয়স ১৭, শুভম শংকর বয়স ৩৩, টগর বেজ বয়স ৩৭, সন্দীপ বেজ বয়স ১৪, তানিয়া বিশ্বাস বয়স ১৮, কল্পনা জানা বয়স ৪৬ , বিকাশ ভট্টাচার্য বয়স ৬৬, স্নেহা ভান্ডারী বয়স ২০, পিয়ালী প্রামানিক বয়স ২৫, প্রিয়া সমাদ্দার বয়স ১৮, প্রাঞ্জল সরকার বয়স ১৩, দিলীপ ঘোষ বয়স ৫৯, দিপালী ঘোষ ৫৪ ,অভিষেক শ্রীবাস্তব ৩৮, আয়ংস শ্রীবাস্তব বয়স ৭, প্রত্যেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে আগত তার মধ্যে ছিল কয়েকজন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী।
সকলের মুখেই একটাই অভিযোগ উঠে আছে, প্রশাসনের দিকে আঙ্গুল তুলতে শুরু করে, কেন ঠিকমতো? প্রর্যাপ্ত ব্যবস্থা ছিল না। দুর্ঘটনায় এরাতে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন পরিবারের আত্মীয়-স্বজনরা।
দৈনিক আগামীর বাংলা