বছির আহমেদ মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
ভারতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি মো. হুমায়ূন তালুকদারকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশের জন্য ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে সার্ভারে তার নাম ‘স্টপ লিস্টে’ পাওয়া যায়। পরে দায়িত্বরত ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে। আটক হুমায়ূন তালুকদার উপজেলার শুভুল্যা গ্রামের আব্দুর রশিদ তালুকদারের ছেলে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, ইমিগ্রেশন যাচাইয়ের সময় হুমায়ূন তালুকদারের নাম স্টপ লিস্টে পাওয়া যায়। এ কারণে তাকে আটক করে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশরাফ হোসেন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাকে মির্জাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গোড়াই হাইওয়ে থানার সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় পুলিশের ছররা গুলিতে গোড়াই ইউনিয়নের লালবাড়ি গ্রামের হিমেলের দুই চোখ অন্ধ হয়ে যায়। এ ঘটনায় হিমেলের মা নাছিমা বেগম টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মির্জাপুর আমলি আদালতে পুলিশ সদস্য, সাংবাদিক, আওয়ামী লীগ নেতাসহ ১০০ জনের নাম উল্লেখ এবং ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার আসামি হিসেবে হুমায়ূন তালুকদার বর্তমানে জামিনে রয়েছে বলে জানিয়েছেন হুমায়ূন তালুকদারের ছেলে আব্দুর রহিম তালুকদার শুভ।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের মাধ্যমে হুমায়ূন তালুকদারকে আটকের বিষয়টি জেনেছি। তাকে মির্জাপুর থানায় নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে।”
দৈনিক আগামীর বাংলা