প্রিন্ট এর তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Sep 12, 2026 ইং
১০১ শিশুর মাঝে ৭০৭ মুরগি বিতরণ আমিষের ঘাটতি পূরণে ডিম, দুধ ও মাংসের প্রয়োজন

১০১ শিশুর মাঝে ৭০৭ মুরগি বিতরণ
আমিষের ঘাটতি পূরণে ডিম, দুধ ও মাংসের প্রয়োজন
দিনাজপুর প্রতিনিধি ফিরোজ সরকার:
পুষ্টির ঘাটতি পূরণ ও পরিবারের আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের লক্ষ্যে দিনাজপুরে ১০১ শিশুর মাঝে ৭০৭টি মুরগি বিতরণ করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ। প্রতিটি শিশুকে দেওয়া হয়েছে সাতটি করে মুরগি। একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে প্রাণিসম্পদ বৃদ্ধি বিষয়ক অভিযান-২০২৬।
দিনাজপুর শহরের মাতাসাগর লালুপাড়াস্থ পালকীয় কেন্দ্র প্রাঙ্গণে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, দিনাজপুর এপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব মুরগি বিতরণ ও অভিযানটির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম হাবিবুল হাসান বলেন, আমিষের ঘাটতি পূরণে ডিম, দুধ ও মাংসের প্রয়োজন রয়েছে। প্রাণিসম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।
তিনি বলেন, গাভি ও ছাগল পালনের পাশাপাশি হাঁস-মুরগি পালনে মানুষকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। শিশু ও তাদের পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পা অনুষ্ঠানে নিবন্ধিত ও নির্ধারিত স্পন্সর শিশু এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ১০১ শিশুকে সাতটি করে মোট ৭০৭টি মুরগি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, দিনাজপুর এপির সিনিয়র ম্যানেজার সেবাষ্টিয়ান পিউরীফিকেশন। প্রাণিসম্পদ ও জীবিকা উন্নয়ন বিষয়ে আলোচনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, দিনাজপুর এপির লাইভলিহুড টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট দিবা রোজারঅনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দিনাজপুর এপির প্রোগ্রাম অফিসার পেট্টিক রেমো।
মুরগি পালন ও রোগবালাই থেকে মুরগিকে নিরাপদ রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছা. শাহিনা বেগম। তিনি মুরগির পরিচর্যা ও রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সেবাষ্টিয়ান পিউরীফিকেশন বলেন, নিবন্ধিত ও নির্ধারিত শিশু এবং তাদের পরিবারের পুষ্টির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে প্রাণিসম্পদ পালন গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মুরগি পালন পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।
তিনি উপকারভোগীদের উদ্দেশে বলেন, দেওয়া মুরগিগুলো বিক্রি না করে পালন করতে হবে। মুরগি থেকে পাওয়া ডিম ও মাংস পরিবারের শিশুদের পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যবহার করার আহ্বান জানান পুষ্টি নিশ্চিতকরণ, প্রাণিসম্পদ পালন ও পরিবারের সক্ষমতা বৃদ্ধির সমন্বিত উদ্যোগ হিসেবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে আয়োজকরা জানান।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক আগামীর বাংলা