ঢাকা | বঙ্গাব্দ

নীতির নবীন জী ও মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে, গণতন্ত্র বাঁচাও- অরাজকতা হটাও দাবীকে সামনে রেখে মহামিছিল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 3, 2026 ইং
নীতির নবীন জী ও মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে, গণতন্ত্র বাঁচাও- অরাজকতা হটাও দাবীকে সামনে রেখে মহামিছিল ছবির ক্যাপশন:
ad728
রিপোর্টার, সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ:
 ২রা নভেম্বর সোমবার, বিকেল তিনটায়, কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের বিদ্যাসাগর মূর্তির সামনে, গণতন্ত্র রক্ষাকে কেন্দ্র করে কয়েক হাজার বিজেপির কর্মী ও সদস্য জমায়েত হয়ে মহামিছিল মহামিছিলে অংশগ্রহণ করেন এবং ঠিক বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ কলেজটি থেকে মহা মিছিল এস এন ব্যানার্জি রোড হয়ে ডরিনা ক্রসিংয়ের মঞ্চে উপস্থিত হন, 

মহা মিছিলে উপস্থিত থাকার আগে, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতাজী সুভাষ এয়ারপোর্টে উপস্থিত হয়ে নীতিন নবীন জীকে পুষ্পস্তবক দিয়ে সম্বর্ধনা জানান, এবং সেখান থেকে মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। 

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি নীতিন নবীন জী, উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার, বিধায়ক ইন্দ্রনীল খান, বিধায়ক তাপস রায়, বিধায়ক শংকর সিকদার সহ একাধিক বিধায়ক ও বিধায়িকা থেকে শুরু করে অন্যান্য নেতা-নেত্রীরা ।

আজকের মিছিলে প্রথম থেকেই নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল করাকরি, পুরো জায়গাটি নিরাপত্তা বলয়ে ঘেরা, কোনভাবেই বিধায়কের সাথে অন্যান্য কর্মীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি, ফলে অনেকেই কিছুটা খুব প্রকাশ করেন, কিন্তু মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ থাকায় প্রশাসনের কিছু করার ছিল না।। সমস্ত বিজেপি কর্মীরা রাস্তার দু'ধারে ব্যারিকেডের গাই সারিবদ্ধ ভাবে স্লোগান দিতে থাকেন জয় শ্রীরাম, জয় মুখ্যমন্ত্রী জয় ,জয় গণতন্ত্র রক্ষার জয়। 

আজকের মিছিল থেকে একাধিক বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলকে তিরস্কার করতে থাকেন, তাহারা বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির লজ্জা থাকা উচিত, কেন মানুষ পরিবর্তন করেছে, উনি একজন ডাইনি, উনি রাজ্যে থেকে কি করেছিলেন, তখন কিভাবে বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার করেছিলেন, গণতন্ত্র রক্ষা দেখাচ্ছে তখন কোথায় ছিল গণতন্ত্র, রাজত্বে থেকে চুরি ডাকাতি শিখিয়েছেন, মহিলাদের উপর অত্যাচার করিয়েছেন, তাই মানুষ আর ভোট দেয় না নতুন সরকার তৈরি করেছে, সারা রাজ্যে বিজেপি আসল লাভ করেছিল, 

মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি নাকি বলেছিলেন, চোরেরা এসেছে, সমস্ত কিছু লুটপাট করবে, আর পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপি কর্মীরা জানান, তাহলে বিভিন্ন রাজ্য থেকে কি করে বিজেপি জিতল, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কিভাবে ভোট দিল, কেন তৃণমূল মুছে গেল, কেন গর্তের মধ্যে লুকিয়ে, যদি গণতন্ত্র রক্ষা করে একমাত্র বিজেপি সরকার করবে, আমরা আশাবাদী আমাদের পাশে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রয়েছেন। 

আমাদের পাশে রয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জি, যিনি সব সময় মানুষের পাশে থাকেন, উন্নয়নের কথা ভাবেন, তাহাকে কেউ দোমাতে পারবেনা, 2019 এও বিজেপি সরকার থাকবে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জি জয়লাভ করবে, যতই গর্ত থেকে বেরিয়ে গণতন্ত্র রক্ষার কথা বলুক, আজকের জনগণ বুঝে গেছে তৃণমূল কিভাবে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করেছিলেন। আর এই কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কি কি করছেন। সমস্ত জায়গায় কিভাবে জয়লাভ করে তিনি মুখ্যমন্ত্রী আসন গ্রহণ করেছেন, আমরা তাহার পাশে আছি ও থাকবো। সারা মহা মিছিল শুধু জয় শ্রীরাম জয় শ্রীরাম, মোদিজীর জয় নীতিন জী জয়, মুখ্যমন্ত্রীর জয় ধ্বনিতে ভরে উঠল।

নিউজটি পোস্ট করেছেন : দৈনিক আগামীর বাংলা

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
৫৩ বছর দেশ শাসনকারীরা নতুন আশা দেখাতে পারবে না: চরমোনাই পীর

৫৩ বছর দেশ শাসনকারীরা নতুন আশা দেখাতে পারবে না: চরমোনাই পীর